কালী পূজা উপলক্ষে ময়মনসিংহের কাচারি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনকালে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, সড়কে শৃঙ্খলা, স্থানীয় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় এবং সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সেনাবাহিনী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ময়মনসিংহের কাচারি ঘাটে কালী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিমা বিসর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই সময়ে বিপুল সংখ্যক ভক্ত, দর্শনার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। যার ফলে এলাকায় জনসমাগম ও ট্রাফিক চাপ বৃদ্ধি পায়। সকলের জন্য শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থানীয় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, এবং স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করে অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। পূজার আনন্দ যাতে সকলেই নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সড়ক শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো সন্ধ্যার পর থেকে প্রতিমা বিসর্জনের সময় বিশেষ করে মোটরসাইকেল চলাচলে নিয়ম মেনে চলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ট্রাফিক পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও প্রবেশ পথে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করে, যাতে কোনো যানজট বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়। মোটরসাইকেল চালকদের নির্দিষ্ট গতি সীমা ও নিয়ম মেনে চলতে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থা সকলের নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করে।
স্থানীয় সম্প্রীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এলাকার জনগণ ও বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়, যাতে এই উৎসবের আনন্দময় পরিবেশে কোনো প্রকার অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সকল নাগরিককে আইন মেনে চলার এবং কর্তব্যরত সদস্যদের সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ময়মনসিংহ নগরীতে আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সেনা টহল জোরদার করায় জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে । আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভুমিকাকে সাধুবাদ জানিয়েছে নগরবাসী ।
