ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রী সুমির দেহ বাণিজ্য সকল মহলে আলোচিত হচ্ছে। উপজেলার একাধিক নেতা জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসী বাহিনীর যুবকদের সাথে সখ্যতা থাকায় বেশ প্রভাবশালী নারীতে পরিণত হয়েছে। এ নারী যৌনকর্মের একাধিক ভিডিও উলঙ্গ ছবি নিজেই ধারণ করে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা, সর্বশান্ত হচ্ছে নারী লিপ্সু একাধিক পুরুষ, এমনই অভিযোগের গুনজন উঠেছে এলাকার সচেতন মহলে।
শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ তারিখে সরেজমিনে খোঁজখবর নিতে গেলে এ প্রতিবেদকে সুত্র জানায় এই নারী নাম সুমি । এব্যাপারে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনদের কাছে জানতে চাইলে নিজেদের আত্মসম্মানের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা জানান, গফরগাঁওয়ে বা অন্য কোন এলাকায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এ নারীকে ব্যবহার করার মাধ্যমে যে কোন সময় ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটাতে পারে বলেও আশংকা করছে স্থানীয়’রা।
গফরগাঁও উপজেলায় বারবাড়ীয়া ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামের মেয়ে সুমি বিয়ে হয় একই গ্রামের মালয়েশিয়া এক প্রবাসী সাথে। সুত্র আরোও জানায় প্রবাসী ১৫/১৬ বছর যাবৎ জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকায় এলাকার উঠতি যুবকসহ কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধি’র সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পরে এ নারী।
বিপদগামী যুবক, রাজনৈতিক দলের কর্মী ও কতিপয় নারী লিপ্সুদের কাছে সুমি নিজের যৌনকর্ম বাজারজাত করার জন্য স্বেচ্ছায় ধারনকরা একটি ভিডিও ইতিমধ্যে বিভিন্ন পন্থায় ভাইরাল হতে দেখা যায়। যা এক্স-ফ্লিমকেও হাড় মানায়। এসব ঘটনায় সম্মান মর্যাদা নিয়ে এলাকায় বসবাস করা যেন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলার ভয় ও নেতাদের হস্তক্ষেপে ভালো মানুষের কন্ঠরোধ হওয়ার আতংক রয়েছে ।
সচেতন মহল মনে করেন রক্ষনশীল এই সমাজব্যবস্থায় পর্নোগ্রাফি করায় এসকল যৌনকর্মীর কর্মকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা অত্যন্ত জরুরী।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক নেতাকর্মী এই যৌনকর্মী সুমিকে দিয়ে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ধনাঢ্য লোকদের ব্লাকমেইল করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিকার চায় গফরগাঁওয়ে ভদ্রজন সুশীল সমাজ। যাদের সাথে সখ্যতা রয়েছে তাদের নাম পরিচয় সহ প্রকাশিত হবে পরবর্তী প্রতিবেদনে।
এব্যাপারে সুমির মোবাইলে একাধিক বার ফোন করলে তিনি রিসিভ করেনি।
মন্তব্য