ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার অপরাধ নির্মুলে পরিবর্তে অভিযোগকারী গনের সীমাহীন হয়রানী এবং অপরাধীদের দমন না করে ভিন্ন অজুহাতে অভিযোগের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়াসহ অফিসার ইন-চার্জ এর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের শেষ কোথায় !
তারাকান্দা উপজেলাধীন কালনীকান্দা গ্রামের বাসিন্দা নিরীহ দুলাল মিয়ার পুত্র মোশারফ হোসেন এর উপর বর্বরোচিত হামলা করে মোবাইল ও ৩০ হাজার টাকা ছিনতায়ের ঘটনাটি ১৩ দিন অতিবাহিত হলেও তারাকান্দা থানা পুলিশ ছিনতাইকারীদের কাউকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
জানা যায়, ফুলপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গত ১২ জুন ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে এসেছেন। গত ৩০ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় বাদী মোশারফ হোসেন তারাকান্দা বাজারে আসলে সন্ত্রাসীরা মোশারফ হোসেনকে ঘেরাও করে বর্বরোচিত হামলা করেন। এবং হামলা চালিয়ে তার সাথে থাকা মোবাইল ফোন ও ঘরের টিন কেনার জন্য আনা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ভুক্তভোগী বাদীর অভিযোগে জানান, ১৩ দিন পূর্বে হামলা ও মোবাইলসহ নগদ ৩০হাজার টাকা ছিন্তায়ের ঘটনার অভিযোগ দায়ের করার পরেও থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়নি। অপর দিকে অপরাধীচক্র মোশারফ হোসেনকে খুন ও অপহরণের হুমকি দিচ্ছে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় তারাকান্দা থানা পুলিশের এমন রহস্যজনক ভুমিকায় বাদী মোশারফ হোসেন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।
উল্লেখ্য, তারাকান্দা থানা এলাকায় হত্যা মামলা সহ অন্যন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা মাধ্যমে বাদী পক্ষকে হয়রানীর এমন অনেক অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে উঠেছে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ওসির এমন কর্মকান্ডের কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারন মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের কাছে জিম্মি হয়ে পরছেন।
ভুক্তভোগী বাদী মোশারফ হোসেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করে, সন্ত্রাসী ও ছিন্তাইকারী আবুল কালাম, আবু সালেহীন, জয় মিয়া, নাঈম উদ্দিন ও সুজন মিয়া গংদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবী জানান। এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল টাকা উদ্ধারের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ।
মন্তব্য