২৪ জুন সোমবার ম্যানহাটন সুপ্রিম কোর্টের জুরিবোর্ড এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট।
আদালতে হাসপিল দাবি করেছেন, তিনি তার প্রেমিকাকে আকৃষ্ট করার জন্য নানা উপহার কিনতে ফাহিমের অর্থ চুরি করেছিলেন। সেই ঘটনা আড়াল করতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। তবে বিচারক হাসপিলের এ দাবি আমলে নেননি ।
ফাহিম সালেহ’র চার লাখ মার্কিন ডলার চুরি করেছিলেন হাসপিল। অর্থ চুরির ঘটনা লুকাতে ফাহিমকে হত্যার পর ইলেকট্রিক করাত দিয়ে দেহ খণ্ডিত করা হয়। এ কারণে হাসপিলকে হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ফাহিম সালেহ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের একজন উদ্যোক্তা ছিলেন। এবং নাইজেরিয়াভিত্তিক স্কুটার স্টার্টআপ গোকাদা প্ল্যাটফর্মের প্রধান নির্বাহী ছিলেন তিনি।
২০২০ সালের ১৩ জুলাই নিউইয়র্কের নিজ অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন ফাহিম। ওই ঘটনায় তখন তার ব্যক্তিগত সহকারী টাইরেস হাসপিলকে গ্রেফতার করা হয়। ফাহিম হত্যাকাণ্ডে হওয়া মামলায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি আদালতে ২০২০ সালের ১৩ অক্টোবর হাসপিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্য শুরু হয়।
বিচার কার্যের সাথে সম্পৃক্ত আইনজীবীগন বলেন, ফাহিমকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেন হাসপিল। আদালতে তিনি অপরাধ স্বীকার করেছেন। তবে হাসপিলের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দিয়েছেন, হাসপিল মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এজন্য তারা হাসপিলকে কম সাজা দেয়ার আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু জুরিবোর্ড তাদের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় হাসপিলের সাজা ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।
মন্তব্য