সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : ফাইল ছবি
ময়মনসিংহে রেদোয়ান হাসান সাগর নামে যুবক খুনের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১১ জনের নামে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
‘ন্যায় বিচারের স্বার্থে’ মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ রোববার সকালে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম রওশন জাহানের আদালতে মামলার আবেদনটি করেন বলে বাদী পক্ষের আইনজীবী নুরুল হক বলেন।
এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা ছাড়াও ৩। ওবায়দুল কাদের , ৪। আসাদুজ্জামান খান কামাল (সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী) ৫। মোহিত-উর-রহমান শান্ত (সাবেক সংসদ সদস্য), ৬। ইকরামুল হক টিটু (সাবেক মেয়র, মসিক), ৭। আমিনুল হক শামীম, ৮। এহতেশামুল আলম (সভাপতি, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ), ৯। মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল (সাধারন সম্পাদক, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ), ১০। সাবেক এমপি শরীফ আহমেদ, ১১। সাবেক এমপি বাবেল গোলন্দাজ, ১২। সাবেক এমপি কে এম খালিদ বাবু , ১৩। সাবেক নিলুফা আনজুম পপি, ১৪। আফজালুর রহমান বাবু (সাধারন সম্পাদক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ), ১৫। সাবেক এমপি মোঃ আঃ ওয়াহেদ, ১৬। সাবেক এমপি কাজিমউদ্দিন ধনু , ১৭। সাবেক এমপি জুয়েল আরেং , ১৮। সাবেক এমপি তুহিন, ১৯। সাবেক এমপি এড.মোসলেমউদ্দিন, ২০। সুমন (সাবেক পৌর মেয়র, গফরগাঁও), ২১। আশরাফুল ইসলাম (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) ২২। রাসেল পাঠান(যুবলীগ), ২৩। নওশেল আহমেদ অনি, ২৪। নওশেদ আহমেদ অভি, ২৫। ফয়জুর রাজ্জাক ওশান (আকুয়া মোড়লবাড়ী), ২৬। মাজহারুল ইসলাম মবিন (শম্ভুগঞ্জ বাজার), ২৭। সাজ্জাদ হোসেন (শম্ভুগঞ্জ) ২৮। তাফসির আলম রাহাত, ২৯। শাহিনুর (যুবলীগ), ৩০। রকিবুল ইসলাম রকিব (কলেজ রোড), ৩১। ইয়াসিন আরাফাত শাওন (চরপাড়া), ৩২। মাকমুদ বেগ(আকুয়া), ৩৩। কাজী জাহিদুল ইসলাম পরাগ ওরফে কাজী পরাগ, ৩৪। আজহারুল ইসলাম, ৩৫। পিযুস কান্তি সরকার, ৩৬। আগুন (গফুর ড্রাইভারের বাড়ী), ৩৭। আজিজুর রহমান ইমন(স্বেচ্ছাসেবক লীগ), ৩৮। আতিকুর রহমান সুমন, ৩৯। মোকসেদুল হাসান আপন, ৪০। আবু বকর সিদ্দিক সাগর (কাউন্সিলর), ৪১। মঈন, ৪২। শরীফ (কাউন্সিলর), ৪৩। পার্থ (তিনকোনা) , ৪৪। শওকত জাহান মুকুল, ৪৫। মোতাহার হোসেন লিটু (সাবেক জিএস), ৪৬। আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু দারোগা, ৪৭। কসাই আলামীন, ৪৮। সাগর চৌধুরী, ৪৯। অনিক চৌধুরী (বুড়া পীর মাজারের বিপরীতে), ৫০। আবদুল্লাহ আল মামুন আরিফ , ৫১। নিতাই ( থানার ঘাট), ৫২। মাসুদ রানা (মফিজ রানা), ৫৩। নজরুল ইসলাম চুন্নু (জাসদ), ৫৪। সোহাগ সওদাগর, ৫৫। রাফিউল আদনুন প্রিয়ম, ৫৬। নাহিদ হাসান রাব্বি, ৫৭। রাজিব (কালিবাড়ি), ৫৮। আর এস রিপন, ৫৯। আবু সাইদ (উপজেলা চেয়ারম্যান), ৬০। চৌরা সেলিম (কাউন্সিলর), ৬১। মোফাজ্জল হোসেন, ৬২। সব্যসাচী, ৬৩। বজলুর রহমান, ৬৪। জাহিদুল ইসলাম নিশাত, ৬৫। মমতাজউদ্দিন মনতা, ৬৬। উত্তম চক্রবর্তী রকেট, ৬৭। তানজির আহম্মেদ রাজীব (স্বেচ্ছাসেবক লীগ), ৬৮। ইমন আলম , ৬৯। আরিফুর রহমান ওরফে ডাইল রতন , ৭০। আল আমিন (সভাপতি, জেলা ছাত্রলীগ), ৭১। হুমায়ুন কবীর (সাধারন সম্পাদক, জেলা ছাত্রলীগ), ৭২। কাজী আজাদ জাহান শামীম (সাবেক জিএস), ৭৩। মুকুল সরকার (সাবেক ভিপি), ৭৪। আনিসুজ্জামান (সাবেক কমিশনার), ৭৫। আসাদুজ্জামান রোমেল, ৭৬। রিপন , ৭৭। বিপ্লব সরকার বিললু , ৭৮। নিহার রঞ্জন (প্রিন্সিপাল, মিন্টু কলেজ), ৭৯। আফতাব দূর্বার (ছাত্রলীগ), ৮০। রনি (ছাত্রলীগ), ৮১। গোলাম ফেরদৌস জিলু (সাবেক ভিপি), ৮২। রাপেল (যুবলীগ) , ৮৩। লিটু (ছাত্রলীগ), ৮৪। আকিব খান পাঠান (ছাত্রলীগ), ৮৫। সাকি (ছাত্রলীগ), ৮৬। জয় (ছাত্রলীগ), ৮৭। ফাহিম শাহরিয়ার অনন্ত (ছাত্রলীগ), ৮৮। মিজানুর রহমান মিজান (সাবেক সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ), ৮৯। শফিকুল ইসলাম (যুবলীগ কর্মী), ৯০। এনামুর রহমান রবি (স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা), ৯১। সোমনাথ (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, গৌরীপুর), ৯২। বিল্লাল হোসেন সরকার ( সাবেক মেয়র মুক্তাগাছা) , ৯৩। আব্দুল হাই আকন্দ (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান), ৯৪। মাহবুবুল আলম মনি(যুবলীগ নেতা মুক্তাগাছা), ৯৫। আরব আলী (মুক্তাগাছা), ৯৬। এমদাদুল হক ইদু, ৯৭। যদু ( মুক্তাগাছা), ১৯৮। এবিএম আনিছুজ্জামান (সাবেক এমপি), ৯৯। আশরাফুল ইসলাম মন্ডল (ত্রিশাল), ১০০। ইব্রাহীম খলিল নয়ন (ত্রিশাল), ১০১। আবুল কালাম শামছুদ্দিন (ত্রিশাল), ১০২। ইকবাল হোসেন (ত্রিশাল), ১০৩। আব্দুর রহমান লেলিন, ১০৪। খন্দকার বাকীবিল্লাহ (যুবলীগ), ১০৫। রফিকুল ইসলাম রতন, ১০৬। আঃ আউয়াল সেলিম (জাপা রওশন), ১০৭। জাহাঙ্গীর আহম্মেদ (জাপা সুবিধাবাদী), ১০৮। সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু (জাসদ), ১০৯। সাব্বির হোসেন বিল্লাল(জাপা রওশন), ১১০। হাজী মোঃ রফিকুল ইসলাম, ১১১। সাদিক হোসেন (জাসদ নেতা) সহ অজ্ঞাতনামা ২৫০/৩০০ জন বিবাদী করা হয় ।
গত ১৯ অগাস্ট বিকালে ময়মনসিংহ নগরীর মিন্টু কলেজ এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত হন অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রেদোয়ান হাসান সাগর (২৪)। তিনি আকুয়া চৌরঙ্গী মোড় এলাকার আসাদুজ্জামানের ছেলে।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নুরুল হক বলেন, “এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা তা আদালতকে জানাতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
মন্তব্য