ময়মনসিংহে ব্যবসা প্রতিষ্ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জ বাজার মাহবুব মাহবুবুর রহমান মাহবুব নামের এক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নেওয়ার পর ঐ ব্যবসায়ী আওয়ামী মদদপুষ্ট দখলবাজরা হত্যার উদ্দেশ্যে উঠিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানাযায়, ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান মাহবুব দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণ ভাবে নিজ ব্যবসায়ী পরিচালনা করা আসছেন। এ অবস্থায় বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের কিছু আগে ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান মাহবুবকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, কোতোয়ালী থানা শাখার যুগ্ম আহবায়ক পদে দ্বায়িত্বে থাকা কারনে, আওয়ামী মদদপুষ্ট দখলবাজ সন্ত্রাসী এবাদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম রুবেল, শাহাদাত এবং মো. শাহীন গংরা জোরপূর্বক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফেরত পেতে মাহবুব গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দ্বারস্থ হলে দখলবাজ সন্ত্রাসী চক্রটি পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র সন্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফিল্মি স্টাইলে উঠিয়ে শ্মশানঘাটে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করার অপরাধে কোতোয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাহাবুবুর রহমান মাহবুব।
এবিষয়ে অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান মাহবুব বলেন, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার বাবসা প্রতিষ্ঠান ফেরত পেতে স্থানীয় অন্যান্য ব্যবসায়ী ও সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগীতা দ্বারস্থ হলে তখনি ক্ষিপ্ত হন আওয়ামী মদদপুষ্ট দখলবাজ এবাদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম রুবেল, শাহাদাত এবং মো. শাহীন এর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ দখলবাজ সন্ত্রাসী বাহিনী। পরবর্তীতে এবাদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম রুবেল, শাহাদাত এবং মো. শাহীন এর নেতৃত্বে ৮/১০ জন আমাকে একা পেয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র সন্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফিল্মি স্টাইলে উঠিয়ে শ্মশানঘাটে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে। আমাকে শ্মশান ঘাটে নিয়ে আমার মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে যায় এবং আমাকে হত্যা উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে ফেলে। তখন আমার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন উপস্থিত হলে শ্মশান ঘাট থেকে আমাকে বাজারের জৈনক ব্যক্তির এক চেম্বারে নিয়ে যান। সেখানে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত থাকা ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমার আন্দোলন সংগ্রামের ছবি, ভিডিও সহ আমার ব্যক্তিগত সকল ডকুমেন্ট ডিলিট করে দেয় এবং ফোনটি ভেঙ্গে ফেলে । হুমকি দিয়ে বলেন, এবিষয়ে ভবিষ্যতে যেন আমি দোকানের নাম মুখে না নেই এবং উক্ত বিষয় নিয়ে বেশী বারাবারি করলে কিংবা কাউকে জানালে বা থানায় কোনো প্রকার অভিযোগ দায়ের করলে বিবাদীরা আমাকে ও আমার পরিবারের যেকোনো সদস্যকে সময় সুযোগমত পেলে জানে মেরে লাশগুম করে ফেলবে অন্যথায় তারা আমার নামে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ফাসিয়ে হয়রানি করাবে ।
মাহবুব আরো বলেন, বিবাদীরা একদল আওয়ামী সন্ত্রাসী, উচ্ছৃঙ্খল, দাঙ্গাবাজ এবং খুবই ভয়ংকর প্রকৃতির লোকজন । বিবাদীরা ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আমার ও আমার পরিবারের যেকোনো সদস্যের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে পরামর্শ করে আমি বাদী হয়ে এঘটনার বিচার চেয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেছি।
মন্তব্য