৫ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক পাঠ করা ঐতিহাসিক “জুলাই ঘোষণাপত্র ২০২৪” বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো—চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার ও মুজিবুল হক চুন্নু।
বুধবার (৬-আগষ্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জাতীয় পার্টি মনে করে,এই ঘোষণাপত্রে জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা প্রাপ্তির মতো মৌলিক দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা আমাদের দলের মৌলিক আদর্শের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। জাতীয় পার্টি এই ঘোষণা অনুযায়ী গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার ও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় পার্টি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছে যে, শহীদদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যেতে পারে না। আমরা তাঁদের জাতীয় বীর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, আহত ও নিহতদের আইনি সুরক্ষা, এবং দোষীদের বিচারের দাবির সাথে একমত। জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে, এই ঘোষণাপত্র আগামী দিনের একটি গণতান্ত্রিক, সহনশীল ও টেকসই রাষ্ট্রের ভিত্তি রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে এই ঘোষণাপত্রের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও একাত্মতা ঘোষণা করা হলো।
নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে আরো বলেন— জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে বর্তমান জাতীয় পার্টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, একটি গণতান্ত্রিক, সুশাসিত ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য এই ঘোষণাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক।
জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক এম.এ. রাজ্জাক খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মন্তব্য