ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মনতলা ব্রীজের নিচে সুতিয়া নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাগেজবন্দি চার খণ্ড মরদেহটি বিইউপি সাভার শাখার শিক্ষার্থী সৌরভ’র। সৌরভ বিইউপি সাভার শাখার বিবিএ শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানাযায়। সৌরভের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইগবাজ ইউনিয়নের তারাটি গ্রামে।
নিহত সৌরভ পরিবারের সঙ্গে ঢাকার উত্তরা এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বোরহান উদ্দিন। রোববার (০২ জুন) বিকেল ৫টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্য মোঃ বোরহান উদ্দিন।
রবিবার ২ জুন সকালে ময়মনসিংহ – টাঙ্গাইল মহাসড়কের ময়মনসিংহ সদর ও মুক্তাগাছা উপজেলার সীমান্তবর্তী মনতলা ব্রিজের নিচে সুতিয়া নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ সময় নদী থেকে কালো রঙের ট্রলি লাগেজ থেকে তিন খণ্ড এবং পাশেই একটি বাজারের ব্যাগে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন।
খুন হওয়া যুবকের নাম সৌরভ। তিনি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের তারাটি গ্রামে বাসিন্দা ও ডাক বিভাগের কর্মচারী মোঃ ইউসুফের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, সৌরভ পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করেন এবং বিইউপি সাভার শাখায় বিবিএতে লেখাপড়া করতেন বলে খোঁজ নিয়ে জেনেছি। তাদের কেউ গ্রামে থাকেন না। এরমধ্যে সৌরভের বাবা ঢাকায় এবং এক চাচা মোঃ ইলিয়াস ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করেন বলে জেনেছি। খুনের ঘটনাটি পুলিশ আমাকে জানিয়েছে।
পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই যুবককে খুন করে মরদেহ চার খণ্ড করে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে ইতোমধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশসহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তদন্তে নেমেছে বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন।
মন্তব্য